প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

নূরুন কিন্ডারগার্টেন এন্ড কলেজিয়েট স্কুল-এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং একটি জাতির মেরুদণ্ড। এই সত্যকে ধারণ করে এবং চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার অন্তর্গত পূর্ব গোমদন্ডী এলাকার কোমলমতি শিশুদের মাঝে মানসম্মত ও আধুনিক প্রাথমিক শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মহৎ উদ্দেশ্যে ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘নূরুন কিন্ডারগার্টেন এন্ড কলেজিয়েট স্কুল’।
প্রতিষ্ঠার পটভূমি ও সূচনা:
২০০১ সালে যখন পূর্ব গোমদন্ডী ও এর আশেপাশের এলাকায় কোমলমতি শিশুদের জন্য একটি আনন্দঘন, আধুনিক ও আদর্শ প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তীব্র প্রয়োজন অনুভূত হচ্ছিল, ঠিক তখনই কিছু উদ্যমী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্বের যৌথ প্রচেষ্টায় এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। শিশুদেরকে শৈশব থেকেই নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং যুগোপযোগী শিক্ষায় দীক্ষিত করাই ছিল এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য।
শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিধি:
২০০১ সালে অত্যন্ত সীমিত পরিসরে যাত্রা শুরু করলেও, সময়ের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানটি তার শিক্ষার গুণগত মান ধরে রেখে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি প্লে-গ্রুপ থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণি (Class 5) পর্যন্ত অত্যন্ত সফলতার সাথে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ ও বুনিয়াদী শিক্ষা মজবুত করতে এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই বদ্ধপরিকর।
অবদান ও সাফল্য:
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নূরুন কিন্ডারগার্টেন এন্ড কলেজিয়েট স্কুল বোয়ালখালী উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিস্তারে এক অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। অভিজ্ঞ পরিচালনা পর্ষদ এবং একঝাঁক দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকমণ্ডলীর অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর মেধা অন্বেষণ পরীক্ষা ও প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়নে গৌরবোজ্জ্বল ফলাফল অর্জন করে আসছে। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই নয়, শিশুদের মেধা ও মননের বিকাশে চিত্রাঙ্কন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যকলাপেও এই স্কুল সমানভাবে অবদান রেখে চলেছে।
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রূপকল্প:
- দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নূরুন কিন্ডারগার্টেন এন্ড কলেজিয়েট স্কুল পূর্ব গোমদন্ডী এলাকার একটি নির্ভরযোগ্য ও শীর্ষস্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কোমলমতি শিশুদের জন্য আনন্দময় পরিবেশ সৃষ্টি এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি আদর্শ ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তোলার মিশন নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ২০০১ সালের সেই ছোট্ট চারাগাছটি আজ দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এক বিশাল মহীরূহে পরিণত হয়ে আলোর আভা ছড়িয়ে দিচ্ছে।